তৈরি করে বার্সা। কিন্তু স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায় বেশির ভাগ সময় নিজেদের পায়ে বল রেখেও গোল পায়নি অতিথিরা। ম্যাচের ৪১ মিনিটে পরিস্কার একটি সুযোগ পেয়েছিলেন নেইমার। দানি আলভেসের ক্রস থেকে ব্রাজিল তারকার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
আগের ম্যাচে সান সিরোয় এসি মিলানের কাছে ২-০ গোলে হেরে আসা সেল্টিক প্রথমার্ধে তেমন কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি।
বিরতির পর গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে বার্সা। অন্যদিকে প্রথমার্ধে নিজেদের অর্ধে পুরোপুরি গুটিয়ে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই অতিথিদের দুর্গে হানা দিতে থাকে নিল লেননের শিষ্যরা।
বিপজ্জনকভাবে এগিয়ে যাওয়া নেইমারকে ফাউল করে ৫৯ মিনিটে অধিনায়ক স্কট ব্রাউনের সরাসরি লাল কার্ড দশ জনের দলে পরিণত করে সেল্টিককে। টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা যায়, নেইমারকে ফেলে দেয়ার পর পিঠের নিচের দিকে লাথি মারেন ব্রাউন।
৭৪ মিনিটে অনুজ্জ্বল পেদ্রোর বদলি হিসেবে নেমে আলেক্সিস সানচেস দু' মিনিটের মাথায় অতিথিদের গোলের সুবর্ণ সুযোগটি তৈরি করে দেন। ঘিরে থাকা ডিফেন্ডারদের মাঝ দিয়ে নেইমার বল বাড়ান ডান দিক থেকে আগুয়ান চিলির এই স্ট্রাইকারে দিকে। তার নিঁখুত ক্রস থেকে হেডে গোলরক্ষক ফ্রেসার ফ্রস্টারকে পরাস্ত করেন ফ্যাব্রেগাস।
কাঙ্ক্ষিত গোল পেয়ে যাওয়ার পর দশ জনের দলে পরিণত হওয়া প্রতিপক্ষের উপর খুব একটা চাপ প্রয়োগ করেনি বার্সা।
এ সময় মরিয়া হয়ে খেলা সেল্টিকের কয়েকটি আক্রমণ রুখে দেন গোলরক্ষক ভিক্তর ভালদেস।
৯০ মিনিটে গোলের দারুণ সুযোগ এসেছিল অতিথিদের সামনেও। প্রথমে নেইমারকে হতাশ করার পর সানচেসের শটও ঠেকিয়ে দেন ফ্রস্টার।
অতিরিক্ত সময়ের তৃতীয় মিনিটে আবার সুযোগ পেয়েছিলেন আলমেরিয়ার বিপক্ষে লা লিগার সর্বশেষ ম্যাচে দর্শক হয়ে থাকা নেইমার। কিন্তু আবারো ব্রাজিল তারকাকে হতাশ করেন ফ্রস্টার।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আগের ম্যাচে গোলের বন্যা বইয়ে দেয়া বার্সাকে তাই একমাত্র গোলের জয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। তবে গত চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এ মাঠেই ২-১ গোলে হারা বার্সেলোনা তিনটি মূল্যবান পয়েন্ট পাওয়ার পাশাপাশি প্রতিশোধ নিতে পেরেই খুশি।
মেসির হ্যাটট্রিকের সুবাদে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আগের ম্যাচে আয়াক্স আমস্টারডামকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল বার্সা। দুই ম্যাচে টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি শীর্ষে আছে তারা। সমান খেলায় পয়েন্টশূন্য সেল্টিক রয়েছে চার নম্বরে।
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন